History

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন "জীবের অন্তর্নিহীত স্বত্তার পূর্ণ বিকাশ হলো শিক্ষা"। শিক্ষা চেতনা আনে এবং ঞ্জানের আলোই আলোকিত হয় ভবিষ্যৎ জীবন। সেই লক্ষ্য পূরনের আশায় ধল্লা গ্রামের কিছু শিক্ষা অনুরাগী ব্যাক্তি কচিকাচাদের নিয়ে বর্তমানে এই জায়গায় খরের চাল ও ছিঁটে ফাটা মাটির দেয়াল দিয়ে ঘেরা একটি ঘরে পড়াশোনা শুরু করান।পরে ১৯৪৭সালে বিদ্যালয়টি সরকারি ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। শোনা যায় অসিত মণ্ডল, চিত্তরঞ্জন সাহা,ও আরো সহৃদয় ব্যক্তি বিদ্যালয় শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে আসেন।এই গ্রামের একজন শিক্ষিকা শোভারানী দাস মহাশয়ার ভূমিকা যথেষ্ট।বলা বাহুল্য তিনি এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। প্রাক্তন কিছু শিক্ষক যেমন পরিমল ভান্ডারী, জগন্নাথ মন্ডল, সৃষ্টি ধর মন্ডল,বসন্ত মন্ডল,গোরা চাদ মন্ডল ও কালীবাবু। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ৩জন শিক্ষক ও ১০৬ জন ছাত্র ও ছাত্রী। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় বিদ্যালয় টি পাকা ও সুন্দর শিশুসুলভ পরিবেশ গরে উঠেছে যেখান থেকে আগামীদিনে অনেক সুনাম ধন্য ছাত্র ও ছাত্রী  তৈরি হবে আশা রাখি।

                                      ধন্যবাদ।

 

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন "জীবের অন্তর্নিহীত স্বত্তার পূর্ণ বিকাশ হলো শিক্ষা"। শিক্ষা চেতনা আনে এবং ঞ্জানের আলোই আলোকিত হয় ভবিষ্যৎ জীবন। সেই লক্ষ্য পূরনের আশায় ধল্লা গ্রামের কিছু শিক্ষা অনুরাগী ব্যাক্তি কচিকাচাদের নিয়ে বর্তমানে এই জায়গায় খরের চাল ও ছিঁটে ফাটা মাটির দেয়াল দিয়ে ঘেরা একটি ঘরে পড়াশোনা শুরু করান।পরে ১৯৪৭সালে বিদ্যালয়টি সরকারি ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। শোনা যায় অসিত মণ্ডল, চিত্তরঞ্জন সাহা,ও আরো সহৃদয় ব্যক্তি বিদ্যালয় শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে আসেন।এই গ্রামের একজন শিক্ষিকা শোভারানী দাস মহাশয়ার ভূমিকা যথেষ্ট।বলা বাহুল্য তিনি এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। প্রাক্তন কিছু শিক্ষক যেমন পরিমল ভান্ডারী, জগন্নাথ মন্ডল, সৃষ্টি ধর মন্ডল,বসন্ত মন্ডল,গোরা চাদ মন্ডল ও কালীবাবু। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ৩জন শিক্ষক ও ১০৬ জন ছাত্র ও ছাত্রী। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় বিদ্যালয় টি পাকা ও সুন্দর শিশুসুলভ পরিবেশ গরে উঠেছে যেখান থেকে আগামীদিনে অনেক সুনাম ধন্য ছাত্র ও ছাত্রী  তৈরি হবে আশা রাখি।

                                      ধন্যবাদ।

 

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন "জীবের অন্তর্নিহীত স্বত্তার পূর্ণ বিকাশ হলো শিক্ষা"। শিক্ষা চেতনা আনে এবং ঞ্জানের আলোই আলোকিত হয় ভবিষ্যৎ জীবন। সেই লক্ষ্য পূরনের আশায় ধল্লা গ্রামের কিছু শিক্ষা অনুরাগী ব্যাক্তি কচিকাচাদের নিয়ে বর্তমানে এই জায়গায় খরের চাল ও ছিঁটে ফাটা মাটির দেয়াল দিয়ে ঘেরা একটি ঘরে পড়াশোনা শুরু করান।পরে ১৯৪৭সালে বিদ্যালয়টি সরকারি ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। শোনা যায় অসিত মণ্ডল, চিত্তরঞ্জন সাহা,ও আরো সহৃদয় ব্যক্তি বিদ্যালয় শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে আসেন।এই গ্রামের একজন শিক্ষিকা শোভারানী দাস মহাশয়ার ভূমিকা যথেষ্ট।বলা বাহুল্য তিনি এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। প্রাক্তন কিছু শিক্ষক যেমন পরিমল ভান্ডারী, জগন্নাথ মন্ডল, সৃষ্টি ধর মন্ডল,বসন্ত মন্ডল,গোরা চাদ মন্ডল ও কালীবাবু। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ৩জন শিক্ষক ও ১০৬ জন ছাত্র ও ছাত্রী। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় বিদ্যালয় টি পাকা ও সুন্দর শিশুসুলভ পরিবেশ গরে উঠেছে যেখান থেকে আগামীদিনে অনেক সুনাম ধন্য ছাত্র ও ছাত্রী  তৈরি হবে আশা রাখি।

                                      ধন্যবাদ।

 

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন "জীবের অন্তর্নিহীত স্বত্তার পূর্ণ বিকাশ হলো শিক্ষা"। শিক্ষা চেতনা আনে এবং ঞ্জানের আলোই আলোকিত হয় ভবিষ্যৎ জীবন। সেই লক্ষ্য পূরনের আশায় ধল্লা গ্রামের কিছু শিক্ষা অনুরাগী ব্যাক্তি কচিকাচাদের নিয়ে বর্তমানে এই জায়গায় খরের চাল ও ছিঁটে ফাটা মাটির দেয়াল দিয়ে ঘেরা একটি ঘরে পড়াশোনা শুরু করান।পরে ১৯৪৭সালে বিদ্যালয়টি সরকারি ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। শোনা যায় অসিত মণ্ডল, চিত্তরঞ্জন সাহা,ও আরো সহৃদয় ব্যক্তি বিদ্যালয় শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে আসেন।এই গ্রামের একজন শিক্ষিকা শোভারানী দাস মহাশয়ার ভূমিকা যথেষ্ট।বলা বাহুল্য তিনি এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। প্রাক্তন কিছু শিক্ষক যেমন পরিমল ভান্ডারী, জগন্নাথ মন্ডল, সৃষ্টি ধর মন্ডল,বসন্ত মন্ডল,গোরা চাদ মন্ডল ও কালীবাবু। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ৩জন শিক্ষক ও ১০৬ জন ছাত্র ও ছাত্রী। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় বিদ্যালয় টি পাকা ও সুন্দর শিশুসুলভ পরিবেশ গরে উঠেছে যেখান থেকে আগামীদিনে অনেক সুনাম ধন্য ছাত্র ও ছাত্রী  তৈরি হবে আশা রাখি।

                                      ধন্যবাদ।

 

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন "জীবের অন্তর্নিহীত স্বত্তার পূর্ণ বিকাশ হলো শিক্ষা"। শিক্ষা চেতনা আনে এবং ঞ্জানের আলোই আলোকিত হয় ভবিষ্যৎ জীবন। সেই লক্ষ্য পূরনের আশায় ধল্লা গ্রামের কিছু শিক্ষা অনুরাগী ব্যাক্তি কচিকাচাদের নিয়ে বর্তমানে এই জায়গায় খরের চাল ও ছিঁটে ফাটা মাটির দেয়াল দিয়ে ঘেরা একটি ঘরে পড়াশোনা শুরু করান।পরে ১৯৪৭সালে বিদ্যালয়টি সরকারি ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। শোনা যায় অসিত মণ্ডল, চিত্তরঞ্জন সাহা,ও আরো সহৃদয় ব্যক্তি বিদ্যালয় শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে আসেন।এই গ্রামের একজন শিক্ষিকা শোভারানী দাস মহাশয়ার ভূমিকা যথেষ্ট।বলা বাহুল্য তিনি এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। প্রাক্তন কিছু শিক্ষক যেমন পরিমল ভান্ডারী, জগন্নাথ মন্ডল, সৃষ্টি ধর মন্ডল,বসন্ত মন্ডল,গোরা চাদ মন্ডল ও কালীবাবু। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ৩জন শিক্ষক ও ১০৬ জন ছাত্র ও ছাত্রী। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় বিদ্যালয় টি পাকা ও সুন্দর শিশুসুলভ পরিবেশ গরে উঠেছে যেখান থেকে আগামীদিনে অনেক সুনাম ধন্য ছাত্র ও ছাত্রী  তৈরি হবে আশা রাখি।

                                      ধন্যবাদ।