History

সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
 
 
      নদীয়া জেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম দলুয়াবাড়ি। একটি খাল গ্রামটিকে দুটি ভাগে ভাগ করেছে। খালের পূর্ব পাড়েই মূল বসতি। আদি বাসিন্দা বলতে কয়েকঘর মুসলিম এবং একটি জেলে বস্তি। অন্য সম্প্রদায়ের মানুষ প্রায় নেই বললেই চলে।
   
      তখন সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। পূর্ব-পাকিস্তান অধুনা বাংলাদেশ থেকে রিফিউজী এসে বসতি গড়েছে এই বাংলায়। ঠিক তেমনটাই এই গ্রামেও।রাস্তাঘাট নেই। কোনো স্কুল নেই। 
 
      পূর্ব-বঙ্গ থেকে আগত মূলত রিফিউজীদের উদ্যোগেই ১৯৪৯/৫০ সালে খড়, বাঁশ দিয়ে কাঁচাঘর বানিয়ে এই বিদ্যালয়ের সূচনা হয়েছিল যাদব মোড়লের বাড়ীতে।
   
      তারপর দু'তিনবার স্থান বদলের পর বর্তমান স্থায়ী ঠিকানায় স্কুল ঘর নির্মিত হয়। গ্রামবাসীদের চাঁদায়। কাঁচা ঘর। শিক্ষকগণ পূর্ববঙ্গের শিক্ষিত কয়েকজন যুবক। মাষ্টারমশাইদের মাইনে যৎসামান্য--- চাঁদা থেকে যা হয়।
 
 
      ইংরেজি ০১/০৩/১৯৫৩ তারিখে বিদ্যালয়টি সরকারীভাবে অনুমোদন লাভ করে। অনুমোদনের সময় বিদ্যালয়ের প্রথম প্রধান শিক্ষক ছিলেন শ্রদ্ধেয় প্রমথ সরকার মহাশয়। 
 
      বিদ্যালয়টির বর্তমান অবস্থান খালের পশ্চিম পাড়ে এবং গ্রামের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে। জায়গাটা দলুয়াবাড়ি পশ্চিম পাড়া নামে পরিচিত।
 
      বিদ্যালয়ের নাম দলুয়াবাড়ি জি.এস্.এফ্.পি. স্কুল। বিদ্যালয়ের গা ঘেঁষেই দলুয়াবাড়ি কালিপুর আঞ্চলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান(উঃ মাঃ)। সামনেই বড়ো খেলার মাঠ। মাঠের বেশীর ভাগ জমি প্রাইমারী স্কুলের। বিদ্যালয়ের মোট জমি দুই একর। দু'টি বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্যই মাঠটি ব্যবহৃত হয়।
 
      সুন্দর পরিবেশ।পাশাপাশি মিলেমিশে আছে বেশ।।