History

পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি সময়ে প্রয়াত নরহরি পুরকাইত মহাশয় এর উদ্যোগে প্রয়াত কানাইলাল সরদার ও চাঁদ মোহাম্মদ গায়েন মহাশয় সহ এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে ,দক্ষিণ সুন্দরবনের শিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্যে নারায়ণতলা রামকৃষ্ণ বিদ্যামন্দির নামাঙ্কিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি হয় ।পরবর্তী সময়ে শ্রী সুশীল কৃষ্ণ মান্না , জনাব ইয়াদ আলীসরদার ,চিন্তামণি পুরকাইত সহ বহু শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিগণ এই মহতী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রসারে উদ্যোগী হন। দীর্ঘ 50বছরের অধিক সময় ধরে শত প্রতিকূলতা,প্রাকৃতিক বিপর্যয় উপেক্ষা করে ধীরে ধীরে এলাকার জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত হতে থাকে , প্রয়াতপ্রধান শিক্ষক শ্রী নির্মল কুমার হোড় সহ অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী অক্লান্ত পরিশ্রম করে ভিক্ষান্ন ,ভিক্ষালব্ধ অর্থ দ্বারা প্রতিষ্ঠান রক্ষা করার চেষ্টা করেন ।পরবর্তীকালে

১৯৯৩ সালে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র লোকমান মোল্লা নেতৃত্বে অভিভাবক অভিভাবিকা দের আশীর্বাদ কে পাথেয় করেপরিচালন সমিতির নির্বাচিত হয়ে আসেন  শ্রী মাধব চন্দ্র পুর্কায়েত ,মতিয়ার রহমান সরদার ,শ্রীগুনো সিন্ধু সরদার ,শ্রী কালিপদ মাঝি ,শুরু হয় বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের ধারা ,এই সময় বিদ্যালয়ের আজীবন সদস্য প্রয়াত শ্রী নিবারণচন্দ্র পাহাড়ি পরিচালন সমিতির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯৫ সালে বিদ্যালয় উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত হয়।পরিচালন সমিতির সভাপতি এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র শ্রী লোকমান মোল্লা আন্তরিক প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সদিচ্ছায় নারায়ণতলা রামকৃষ্ণ বিদ্যামন্দির আজ তিল থেকে তিলোত্তমায় পরিণত হয়েছে একথা অনস্বীকার্য।এই সময় কালে প্রাক্তন সম্পাদক শ্রী মাধব চন্দ্র পুরকাইত মতিয়ার রহমান সরদার, শ্রী রসময় মাল ,শ্রী জয়দেব মণ্ডল ,শ্রী দেবতোষ মহান্তি সহ সকল সদস্যবৃন্দ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমান সভাপতি শ্রী অরবিন্দ মান্না আন্তরিক উদ্যোগ নিয়ে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ।বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শিক্ষারত্ন উপাধিতে ভূষিত রফিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন ও সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সময়কালে অনন্য ভূমিকা পালন করে গেছেন। নারায়ণতলা রামকৃষ্ণ বিদ্যামন্দির( উচ্চতর মাধ্যমিক )একটি অগ্রণী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার পিছনে এলাকার সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দ সহ বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি সর্বশিক্ষা মিশনের অকৃত্রিম সহযোগিতা ছিল।আগামী প্রজন্মের স্বার্থে পড়াশোনা ,খেলাধুলা ,সাংস্কৃতিক , ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ওউন্নয়ন কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে প্রধান শিক্ষক শ্রী দীপক কুমার করের নেতৃত্বে  শিক্ষক-শিক্ষিকা- শিক্ষাকর্মী, অভিভাবক –অভিভাবিক্‌ ছাত্র,-ছাত্রী এবং শিক্ষানুরাগীদের সার্বিক আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা আজও অব্যাহত আছে ।বর্তমান শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক পরীক্ষায রাজ্যের মধ্যে  বিদ্যালয়ের ছাত্র ইজাজ আহমেদ সরদার ১৫ তম স্থান ও রুপম মান্না ২১তম স্থান অধিকার করায় বিদ্যালয় বিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক গৌরবান্বিত অধ্যায়ের সূচনা হল।

পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি সময়ে প্রয়াত নরহরি পুরকাইত মহাশয় এর উদ্যোগে প্রয়াত কানাইলাল সরদার ও চাঁদ মোহাম্মদ গায়েন মহাশয় সহ এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে ,দক্ষিণ সুন্দরবনের শিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্যে নারায়ণতলা রামকৃষ্ণ বিদ্যামন্দির নামাঙ্কিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি হয় ।পরবর্তী সময়ে শ্রী সুশীল কৃষ্ণ মান্না , জনাব ইয়াদ আলীসরদার ,চিন্তামণি পুরকাইত সহ বহু শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিগণ এই মহতী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রসারে উদ্যোগী হন। দীর্ঘ 50বছরের অধিক সময় ধরে শত প্রতিকূলতা,প্রাকৃতিক বিপর্যয় উপেক্ষা করে ধীরে ধীরে এলাকার জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত হতে থাকে , প্রয়াতপ্রধান শিক্ষক শ্রী নির্মল কুমার হোড় সহ অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী অক্লান্ত পরিশ্রম করে ভিক্ষান্ন ,ভিক্ষালব্ধ অর্থ দ্বারা প্রতিষ্ঠান রক্ষা করার চেষ্টা করেন ।পরবর্তীকালে

১৯৯৩ সালে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র লোকমান মোল্লা নেতৃত্বে অভিভাবক অভিভাবিকা দের আশীর্বাদ কে পাথেয় করেপরিচালন সমিতির নির্বাচিত হয়ে আসেন  শ্রী মাধব চন্দ্র পুর্কায়েত ,মতিয়ার রহমান সরদার ,শ্রীগুনো সিন্ধু সরদার ,শ্রী কালিপদ মাঝি ,শুরু হয় বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের ধারা ,এই সময় বিদ্যালয়ের আজীবন সদস্য প্রয়াত শ্রী নিবারণচন্দ্র পাহাড়ি পরিচালন সমিতির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরিচালন সমিতির সভাপতি এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র শ্রী লোকমান মোল্লা আন্তরিক প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সদিচ্ছায় নারায়ণতলা রামকৃষ্ণ বিদ্যামন্দির আজ তিল থেকে তিলোত্তমায় পরিণত হয়েছে একথা অনস্বীকার্য।এই সময় কালে প্রাক্তন সম্পাদক শ্রী মাধব চন্দ্র পুরকাইত মতিয়ার রহমান সরদার, শ্রী রসময় মাল ,শ্রী জয়দেব মণ্ডল ,শ্রী দেবতোষ মহান্তি সহ সকল সদস্যবৃন্দ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমান সভাপতি শ্রী অরবিন্দ মান্না আন্তরিক উদ্যোগ নিয়ে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ।বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শিক্ষারত্ন উপাধিতে ভূষিত রফিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন ও সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সময়কালে অনন্য ভূমিকা পালন করে গেছেন। নারায়ণতলা রামকৃষ্ণ বিদ্যামন্দির( উচ্চতর মাধ্যমিক )একটি অগ্রণী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার পিছনে এলাকার সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দ সহ বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি সর্বশিক্ষা মিশনের অকৃত্রিম সহযোগিতা ছিল।আগামী প্রজন্মের স্বার্থে পড়াশোনা ,খেলাধুলা ,সাংস্কৃতিক ,ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ওউন্নয়ন কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ছাত্র,-ছাত্রী, শিক্ষক-,শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী অভিভাবক ,অভিভাবিকাএবং শিক্ষানুরাগীদের সার্বিক আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা আজও অব্যাহত আছে ।বর্তমান শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক পরীক্ষায রাজ্যের মধ্যে  বিদ্যালয়ের ছাত্র ইজাজ আহমেদ 15 তম স্থান ও রুপম মান্না ২১তম স্থান অধিকার করায় বিদ্যালয় বিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক গৌরবান্বিত অধ্যায়ের সূচনা হল।