History
বিদ্যালয়ের কথা::----
ছাত্র জীবনই মানব জীবনের বীজ বপনের সময়। তাই প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই শিশুদের শারীরিক ,মানসিক ও বৌদ্ধিক গুনগুলির বিকাশের জন্য খেলাধুলা ,সাংস্কৃতিক চর্চা, আনন্দ মূলক পঠন পাঠন ,শিক্ষামূলক ভ্রমণ প্রভৃতির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয় ।পিতা মাতা ও গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, কনিষ্ঠ দের প্রতি প্রীতি ,ভদ্র আচরণ, কর্তব্যবোধ, নৈতিকতা, ত্য়াগ ,সংযম ,সততা প্রভৃতি গুণের বিকাশ ঘটানোই আমাদের লক্ষ্য়। যে আবেগ নিয়ে কুন্ডল পাল গ্রামের মহান গ্রামবাসী বৃন্দ ১৯৪৭সালের একপুণ্য প্রভাতে কুন্ডল পাল পার্ট বেসিক বিদ্যালয় কে অঙ্কুরিত থেকে বনস্পতি করতে চেয়ে ছিলেন ;আমরা তাতে শুধু জল ,আলো,বাতাস নয় উপরন্তু বাসন্তীর রং পূর্ণতা দেওয়ার আয়োজন করে চলেছি মাত্র। আপনাদের উপ্ত কিশলয় মহীরুহ রূপে তিয়াত্তর বছর বয়সের পূর্ণতার ভারে কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে সত্য়। কিন্তু সে চিরযৌবনা। এমন সমালোচনা চাই, যে সমালোচনা দেবে উত্তরণের পথ। প্রতিকুলতা থাকলই বা গতি থেমে তো নেই। সাধ্য নেই কিন্তু আপোষহীন সাধ তো আছে । যাদের নিরলস প্রচেষ্টায় এই বিদ্যামন্দির প্রতিষ্ঠিত যাদের অকৃপণ দান ,পরিশ্রম এবং সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো স্বমহিমায় বিরাজমান বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাদের চরণে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
অভিভাবক অভিভাবিকা ও শুভানুধ্যায়ীদের গঠনমূলক সমালোচনা, গ্রাম শিক্ষা কমিটির সুপরামর্শ ,শিক্ষক-শিক্ষিকা গণের নিরলস প্রচেষ্টা ও ছাত্র-ছাত্রীদের শ্রদ্ধাবনতঃ বিদ্যাসাধনার নিরলস প্রয়াসই বিদ্যামন্দির কে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে -এই কামনা করি।