History

লেবার ওয়েলফেয়ার সেন্টার প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত-১৯৭২ সাল।ষাটের দশকের শেষদিকে বীরপাড়া লেবার ওয়েলফেয়ার দপ্তরের তৎকালীন সহকারী লেবার কমিশনার ও অফিস ইন চার্জ শ্রী জয়নারায়ন চক্রবর্তী মহাশয়ের প্রচেষ্টায় এই কেন্দ্রে একটি বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। শুরুতে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা স্বর্গীয়া শ্রীমতী ঊষা চৌধূরী ও পরে সহ শিক্ষিকা শ্রীমতী ইভা বিশ্বাস আনুমানিক তিন চার বছর কিছু ছাত্র ছাত্রী দের সংগঠিত করে এই কেন্দ্রের একটি কক্ষে পঠন পাঠনের কাজ শুরু করেন। শ্রদ্ধেয়া শিক্ষিকাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, বীরপাড়া লেবার ওয়েলফেয়ার সেন্টার কর্তৃপক্ষের অকুন্ঠ সহযোগিতা এবং স্থানীয় শিক্ষানুরাগী মহলের সহযোগিতায় ১৯৭২ সালে অর্গানাইজ বিদ্যালয় টি বাংলামাধ্যম প্রাথমিক বিদ্যালয় রূপে সরকারী স্বীকৃতি পায় এবং ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে উক্ত দুই শিক্ষিকা প্রাথমিক শিক্ষিকা হিসাবে এই বিদ্যালয়েই কাজে যোগদান করেন | এরপর ১৯৭৩ সালে শ্রদ্ধেয়া শিক্ষিকা শ্রীমতী উমা ভদ্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন । পরবর্তীতে শ্রীমতী পুষ্পরানী পাল, শ্রীমতী রীতা রায় দাস, স্বর্গীয়া শ্রীমতী মীরা চৌধুরী , স্বর্গীয়া শ্রীমতী রেজিনা খাতুন প্রমুখ শিক্ষিকাগন তাদের উন্নত পাঠদান, ক্রীড়া ও নৈতিক শিক্ষাদানের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের সমৃদ্ধ করেছেন | আজ তারা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত |পরবর্তীকালে ছাত্রছাত্রীদের বসার জায়গার সংকুলান না হওয়ায় বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের বিষয়ে ১৯৯৪ সালে বীরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির নিকট বিদ্যালয়ের খালি জমিতে নতুন বিদ্যালয় ভবন নির্মানের জন্য আবেদন করা হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করে বীরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২৪০০ বর্গফুট (প্রায়) জমি প্রদান করে | পরবর্তীতে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ, জলপাইগুড়ির অনুমোদনের পর স্বর্গীয় সমাজসেবী শ্রী সুরেশচন্দ্র তালুকদার মহাশয়ের প্রচেষ্টায় বি.ডি.ও. - অফিসের মাধ্যমে বীরপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে এল.ডব্লিউ.সি - প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মিত হয় এবং ১৯৯৮ সালে বিদ্যালয়টি স্থানান্তরিত হয়ে পঠন-পাঠনের কাজ শুরু হয় | তথ্যসংগ্রহ  - ১ | শ্রীমতী উমা ভদ্র - অবসরপ্রাপ্ত প্রাক্তন শিক্ষিকা এল.ডব্লিউ.সি. প্রাথমিক বিদ্যালয় | ২  | শ্রী পঙ্কজ গুপ্ত -  প্রাক্তন অফিস- ইন-চার্জ বীরপাড়া লেবার ওয়েল ফেয়ার সেন্টার অফিস।৩ | বিদ্যালয় সংগৃহীত তথ্য | পরবর্তীতে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক স্বর্গীয় শ্রী বিজয় ভট্টাচার্য মহাশয় এই বিদ্যালয়ে কিছুদিন শিক্ষকতা করেন |বর্তমানে বিদ্যালয়ে দুটি মাধ্যমে পাঠদান করা হয় ৷ বাংলা মাধ্যমে স্থায়ী শিক্ষক - শিক্ষিকা রয়েছেন ৫ জন | ২০১৯ সালে ৩ জন শিক্ষক - শিক্ষিকা নিয়ে বিদ্যালয়ে ইংরাজী মাধ্যমেও পঠন-পাঠন শুরু হয়েছে । বর্তমানে এই বিভাগে শিক্ষিকা রয়েছেন- ২ জন | দুই মাধ্যমের শিক্ষক-শিক্ষিকাগন অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে ও যত্নসহকারে উন্নত পাঠদান, নৈতিক শিক্ষা, ক্রীড়াসহ সার্বিকক্ষেত্রে নিরলসভাবে ছাত্রছাত্রীদের মানোন্নয়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন | ২০২০ সালে বিদ্যালয়ে  বাংলা মাধ্যমে পঞ্চম শ্রেনী এবং ইংরাজী মাধ্যমে দ্বিতীয় শ্রেনী যুক্ত হয়েছে |