সাল ১৯৫৭। তৎকালীন সময়ে পিছিয়েপড়া জলাভূমি বাওড় দ্বারা বেষ্টিত অনুন্নত একটি গ্রাম রাঘবপুর , যেখানে নেই শিশুদের লেখাপড়া শিখিয়ে বড় করে তোলার মত কোন বিদ্যালয়। এগিয়ে এলেন স্বহৃদয় ব্যক্তি শিশির বিশ্বাস মহাশয়।তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টা এবং ভূমিদাতা ভদ্রেশ্বর মন্ডলের মহানুভবতায় এবং গ্রামবাসীদের আর্থিকসহযোগিতায় গড়ে উঠলো রাঘবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়। ৪৩শতক জায়গার উপর চাঁচের বেড়া ,টিনের চালদ্বারা নির্মিত হল বিদ্যালয় গৃহ। শিশির বিশ্বাস মহাশয়ের তত্ত্বাবধানে হলো যার পথ চলা। অবশেষে ০৪/০৬/১৯৫৯ সালে সরকারি স্বীকৃতি পেলো " রাঘবপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় " ।
সাল ২০২০।সেই বিদ্যালয়ের কলেবর বৃদ্ধি ঘটে যার দুটি পাকাভবন , পানীয়জল ,পাকা শৌচালয় খেলারমাঠ - অভাব নেই কোনো কিছুর। লেখাপড়ার প্রতি ছেলেমেয়েদের উৎসাহ ,শিক্ষক শিক্ষিকাদের দ্বায়বদ্ধতা ,সর্বোপরি সরকারের সর্বোচ্চ সহযোগিতায় খুব সুন্দর ভাবে এগিয়ে চলেছে আমাদের বিদ্যালয়। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসাবে পূর্বসূরি প্রধানশিক্ষকদের ( যথা - স্বপ্না দাস , সুভাষ চন্দ্র রায় , সুবল চন্দ্র দাস, শিশির বিশ্বাস ) প্রতি আমার ( বংশী বিশ্বাস ) বিনম্র শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞা প্রকাশ করছি। বর্তমানে আমার সহকারী শিক্ষক অমিত কুমার মোহান্ত এবং শিক্ষিকা চন্দনা মন্ডল - এদের সার্বিক প্রচেষ্টায় কম্পিউটার , প্রজেক্টর প্রভৃতির দ্বারা আমরা সর্বোচ্চ শিক্ষাদানের চেষ্টা করে চলেছি। আগামীদিনেও এই চেষ্টা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করছি।
Read More