
ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের নিম্নলিখিত নিয়মাবলী বিশেষ ভাবে মবে রাখতে হবে।
১। প্রতিদিন সকল ছাত্র-ছাত্রীকে নিম্নপ্রদত্ত বিদ্যালয়ের নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরে স্কুলে আসতে হবে।
ক) পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রদের একটি পকেট দেওয়া সাদা ও নীল রঙের চেক হাফ শার্ট এবং ব্লু রঙের হাফ প্যান্ট।
খ) নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রদের সাদা ও নীল রঙের চেক হাফ শার্ট এবং নেভি ব্লু রঙের পেছনে পকেট বিহীন ফুল প্যান্ট।
গ) একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রদের একটি পকেট দেওয়া সাদা ও ধূসর রঙের চেক হাফ শার্ট এবং ধূসর রঙের পেছনে পকেট বিহীন ফুল প্যান্ট।
ঘ) ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীদের সাদা ও নীল রঙের চেক হাফ শার্ট এবং নেভি ব্লু রঙের স্কার্ট।
ঙ) নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীদের সাদা ও নীল রঙের চেক কামিজ এবং নেভি ব্লু রঙের স্যালোয়ার ও ওড়না।
চ) একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের ধূসর ও সাদা রঙের চেক কামিজ এবং ধূসর রঙের স্যালোয়ার ও ওড়না।
ছ) শীতকালে সকল ছাত্র-ছাত্রী নেভি ব্লু রঙের সোয়েটার পরবে।
জ) কালো রঙের সু ও সাদা মোজা পরতে হবে।
ঝ) ছাত্রীরা চুল খুলে স্কুলে আসবে না হাতে লম্বা নখ রাখবে না। ও ছাত্ররা শোভনীয় ভাবে চুল কাটবে।
ঞ)ছাত্র-ছাত্রীরা অবাঞ্ছিত অলংকার পরে আসবে না।
২। প্রতিদিন সকাল ১০টা৪৫ মিনিটের মধ্যে প্রার্থনা সঙ্গীত সভাতে যোগদান বাধ্যতামূলক।প্রার্থনার পর সারিবদ্ধভাবে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে হবে।
৩। বিদ্যালয়ে দেরি করে আসা প অকারণ অনুপস্থিতি অন্যায় বলে ধরা হবে।
৪। পঞ্চম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণির সকল ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ এবং দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি কমপক্ষে ৭০ শতাংশ হওয়া দরকার অন্যথায় বার্ষিক পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।
৫। ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয়ের অনুমতি ব্যতীত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ত্যাগ করতে পারবে না।
৬। শ্রেণিকক্ষে ক্লাস চলাকালীন বাইরে অযথা ঘোরাঘুরি ও কলাহল করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
৭। সকল ছাত্র-ছাত্রীদের নির্দিষ্ট পরীক্ষাগুলি দেওয়া আবশ্যিক।
৮। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ‘‘মিড ডে মিল’’ চালু আছে। খাবার গ্রহণের পূর্বে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের অবশ্যই হাত সাবান দিয়ে ধুতে হবে।
৯। মিড-ডে মিলের উচ্ছিষ্ট খাবার যথাস্থানে ফেলতে হবে।
১০। শ্রেণিকক্ষ নোংরা করা যাবে না, নোংরা জিনিস ডাস্টবিনে ফেলতে হবে।
১১। বিদ্যালয়ে নিয়ম শৃংখলা ভঙ্গ করলে সেই ছাত্র-ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের স্বার্থে টি.সি দেওয়া হবে।
১২। বিদ্যালয়ের Book Bank থেকে দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে বই সাহায্য করা হয়।
১৩। পাঠাগার থেকে প্রয়োজনীয় গল্পের ও পাঠ্যবই নেওয়ার ব্যবস্থা আছে।
১৪। দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সাহায্য ও পুরস্কার দেওয়া হয়।
১৫। সর্বোত্তম শ্রেণির রক্ষক, সর্বোচ্চ উপস্থিতি ওও শ্রেণিকক্ষে প্রথম ও দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারী ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিবছর পুরস্কার দেওয়া হয়।
১৬। যে সকল ছাত্র-ছাত্রী সরকারি অনুদান পাওয়ার যোগ্য, তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যথাযথ ভাবে দরখাস্ত না করায় যদি অনুদান না আসে তাহলে কর্তৃপক্ষ কোনও প্রকার দায়ী থাকবে না।
১৭। কোনও শংসাপত্র নেওয়া বা শংসাপত্র প্রত্যক্ষণ করতে হবে বুধবার ও শনিবার ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে।
১৮। বিদ্যালয়ের চিপ স্টোর্স থেকে স্বল্প মূল্যে সকল প্রকার শিক্ষা সরঞ্জাম ছাত্র-ছাত্রীদের সরবরাহ করা হয়।
১৯। পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক।
২০। প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে ছুটি মঞ্জুর আবেদনপত্রের খাতা তৈরি করতে হবে এবং আবেদন পত্রের সঙ্গে উপযুক্ত প্রমাণপ্ত্র সঙ্গে আনলে ছুটি মঞ্জুর বিবেচনাধীন হবে।
২১। পুস্তক তালিকা প ছুটি মঞ্জুর আবেদনপত্র নিয়মিত বিদ্যালয়ে আনতে হবে।
২২। পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়ের বার্ষিক ফি দিয়ে খাতায় নাম তুলতে হবে।
২৩। বিদ্যালয়ের সীমানার মধ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের মোবাইল আনা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। প্রয়োজনে বিদ্যালয়ের ল্যাণ্ডফোন ব্যবহার করা যাবে।
২৪। WATSAN কমিটির সদস্যদের নির্দেশ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা মেনে চল্বে। প্রতি ছাত্র-ছাত্রী ১০ টাকা করে WATSAN কমিটির সদস্যদের কাছে জমা দেবে।
২৫। প্রতি সামেটিভ পরীক্ষার পর প্রগতি পত্র প্রদান করা হবে। অভিভাবকের স্বাক্ষর সহ তা ফেরৎ দিতে হবে। প্রগতি পত্র হারিয়ে ফেললে ৫০ টাকা জরিমানা ধার্য করা হবে।
বৃত্তিমূলক শিক্ষা
বিদ্যালয়ে বৃত্তিমূলক শিক্ষার বিভিন্ন কোর্সে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আছে। শিক্ষান্তে পরীক্ষার মাধ্যমে Certificate দেওয়ার ব্যবস্থা আছে।
ক) প্রশিক্ষণের বিষয় সমূহ হলঃ
১। গ্রামীণ বিদ্যুৎ কারিগর তৈরি (RUEL)
২। সূচি-শিল্প (TAIL)
গ) প্রশিক্ষণের সময়ঃ
জানুয়ারী থেকে জুন মাস এবং জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাস।