
২রা জানুয়ারি দেওয়া হয় ছাত্র-ছাত্রীদের বই এবং ওই তারিখ থেকেই নতুন শ্রেণীতে ছাত্র-ছাত্রীদের নাম লেখা হয় এছাড়া ওই তারিখ থেকেই নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি ও করা হয়। বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন ও শুরু হয়ে যায়। তিন মাস পর প্রথম পার্বিক মূল্যায়ন শুরু হয় এপ্রিল মাসে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর খাতাপত্র দেওয়া হয় মূল্যায়নের বইতে নম্বরও তোলা হয় । আবার রীতিমতো পঠন-পাঠন শুরু হয় এবং জুলাই মাসে আবার দ্বিতীয় পার্বিক মূল্যায়ন শুরু হয় পরীক্ষা শেষে আগের মত নম্বর মূল্যায়ন বইতে তোলা হয় । আবার পঠন-পাঠন চলতে থাকে গ্রীষ্মের ছুটি থাকে মে মাসের আধাআধি সময়ে কোন বার দশ দিন পর আবার আরো কিছুটা সময় বাড়ানো হয় যেমন 2019 সালে 10 দিন ছুটি ছিল। 2019 সালে পুজোর ছুটি ছিল 25 দিন। বিদ্যালয় খোলার পর পঠন-পাঠন চলতে থাকে তার সঙ্গে চলতে থাকে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা প্রস্তুতি। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার শেষে পঠন-পাঠন চলতে থাকে । নতুন বই আনা হয় এবং ডিসেম্বর মাসের শুরু হয় তৃতীয় পার্বিক মূল্যায়ন । পরীক্ষার শেষে আবার খাতা দেওয়া হয় । মূল্যায়ন নম্বর তোলা হয় এবং প্রগতি পত্রের নাম্বার লেখা হয় এবং 31 ডিসেম্বর ছাত্র-ছাত্রীদের রেজাল্ট দেওয়া হয় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।