From the Head Of Institution Desk

         I, Somnath Halder, have been rendering my service as teacher-in-charge on and from 6th October, 2016. After my appointment as teacher-in-charge 5 teaching and 2 non-teaching staffs have joined in our esteemed Institution. 6 more teaching staffs will be appointed shortly. With the active co-operation of the west Bengal Government we have introduced JIM in our school which will make our affectionate students physically and mentally stronger. The hon'ble M.L.A. of Baduria Kazi Abdur Rahim donated Rs 1 lakh for the development work in our school. We have built cycle shed for the students. In the year 2019 our school has got third position in science model Exhibition all over India and abroad. So far it is considered to be the greatest achievement in our school.  with the active Co-operation of all the teaching and non-teaching staffs we have been trying to run the school smoothly. We have been also trying to upgrade our school into Higher Secondary. We also get all kinds of help from our hon'ble administrator and guardians. We are proud of our school.

প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির কলমে

       ১৯৬৭ সালে অল্পকিছু শিক্ষক, শিক্ষানুরাগী মানুষ ও ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে পথ চলা শুরু করেছিল “আটঘরা উচ্চ বিদ্যালয়”। সেই সকল শিক্ষক তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়ে তৈরী করেছিলেন বিদ্যাশিক্ষার এই পীঠস্থানকে। আমি যতদূর জেনেছি এই বিদ্যালয় তখন খুব ছোট ছিল কিন্তু পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় ছিল অনন্য। মোঃ আব্দুস সামাদের মত প্রধান শিক্ষকের ছত্রছায়ায় ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পঠন-পাঠনকে এক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছিল। সকল ছাত্র-ছাত্রীর প্রতি ছিল তাঁর স্নেহময় আচরণ বিশেষত মেয়েদের প্রতি যারা এই স্কুলে আসত শিক্ষা গ্রহনের জন্য। পরবত্তীতে শ্রদ্ধেয় স্বদেশ চন্দ্র দে মহাশয় বেশ কিছু বছরের জন্য এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তাঁর তত্তাবধানে বিদ্যালয়টি অতিরিক্ত শ্রেণীকক্ষের বরাত পায় ‘সর্বশিক্ষা মিশন’ প্রকল্পটি থেকে।

       বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রাক্তন ছাত্র আসিফ বিল্লা যার হাত ধরে আমরা পরিচিত হই COGNIZANT (CTS) এর মত সংস্থাটির সঙ্গে। এই কগনিজ্যাণ্ট বন্ধুদের বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি যা অবদান তা এক কথায় অনস্বীকার্জ। অ্যাকোয়াগারড থেকে শুরু করে বৃক্ষ রোপণ, লাইব্রেরী, খাতা, কম্পিউটার সব দিকেই তাদের বাড়িয়ে দেওয়া হাত আমাদের অনেক সমরৃদ্ধ করেছে। বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে রয়েছে সব বয়সের মানুষের শিক্ষাগ্রহণের জন্য ভোকেশনাল কোরস। সেখানে টেলারিং এর ব্যবস্থা রয়েছে।

       এটা সত্যি যে, সরবদা আমাদের চলার পথ কুসুমাবৃত থাকে না। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি নানা উত্থানপতনের মধ্যে দিয়ে এক সুন্দর সেতু বন্ধন রচিত হবে এখানকার সকল মানুষের সঙ্গে। এরজন্য অবশ্যই বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির অবদানের কথা উল্লেখ করতেই হয়। তারা যেভাবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সেভাবে সর্বদা তাঁদের পাশে পেলে আমাদের বিদ্যালয় একদিন অনেক উচ্চতায় উন্নীত হবে রাজ্যস্তরে। তখন আমরাও সক্ষম হব এক উজ্জ্বলময় ভবিষ্যতকে রেখে যেতে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে।

ধন্যবাদান্তে –

প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি

আটঘরা উচ্চ বিদ্যালয়