অভিভাবক বলতে ছাত্ত্র-ছাত্রীর বাবা অথবা মাকেই বোঝায়।
শিক্ষাবর্ষের প্রারম্ভে ক্লাস শুরু হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই প্রত্যেক অভিভাবক তাঁর পুত্রকে বিদ্যালয়ের নিদ্ধারিত পোশাক তৈরী করে দেবেন।
ছাত্র-ছাত্রীর অনুপস্থিতির কারণ উল্লেখ করে দিনলিপি পুস্তিকার নিদ্ধারিত অংশে অভিভাবকের স্বাক্ষরিত আবেদন দর্শালেই কেবলমাত্র শ্রেণীকক্ষে পঠন-পাঠনের অনুমতি দেওয়া হবে। হাফ ছুটির জন্য কোন প্রকার দরখাস্ত পাঠাবেন না।
উপস্থিতির হার ৭৫ শতাংশের কম হলে মাধ্যমিক পর্ষদের নিয়ম অনুসরণ করা হবে। উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের ক্ষেত্রে উপস্থিতির হার ৭০ শতাংশের কম হলে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নিয়ম অনুসরণ করা হবে।
বার্ষিক পরীক্ষায় ফেল করা ছাত্রকে অবশ্যই শিক্ষাবর্ষের প্রারম্ভে ক্লাস শুরু হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই বিদ্যালয়ের প্রাপ্য জমা দিয়ে ঐ শ্রেণীতেই নাম তুলতে হবে নতুবা সেই ছাত্র এই বিদ্যালয়ে আর পড়বে না বলেই ধরা হবে।
দুই এর অধিকবার ফেল করে একই ক্লাসে থাকা ছাত্র-ছাত্রীদের দায়িত্ব নেওয়া স্কুলের পক্ষে সম্ভব নয়।
বিদ্যালয়ের নিয়মশৃংখলা ভঙ্গ করা কঠিন শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে বিবেচিত হবে।
পঠন-পাঠান সম্পকিত কোন গঠনমূলক সুপরামসশ থাকলে অভিভাবকগণ প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। প্রথম পারবিক পরীক্ষার পূর্বেই বিদ্যালয়ের প্রাপ্য পরিশোধ করুন।