From the Head Of Institution Desk

শিশু-কিশোর প্রতিভার উন্মেষ ও তাদের ছন্দবদ্ধময় অনুসন্ধিত্সায় আবহমান শিক্ষা সাংস্কৃ্তির অন্যতম পী়ঠস্থান বিদ্যালয়। সেই পরম্পরায় আলোকিত, মনন- চিন্তন ও সফল্যের স্বর্নরেখায় সুশোভিত আধুনিক শিক্ষার দিশারী অগ্রগণ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অশোকনগর বিদ্যাসাগর বাণীভবন উচচ বিদ্যালয় (উঃ মাঃ)।

প্রাকৃতিক সম্পদ যতই থাকুক না কেন মানব সম্পদে সমৃদ্ধ না হলে কোন দেশ- জাতি সফল্যের শীর্ষে পৌঁছাতে পারেনা। শিশুর বেড়ে ওঠার পরিবেশ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই দুয়ের সমন্বয়ের মাঝে ছাত্র-ছাত্রী। শিক্ষার্থীরাই বিদ্যালয়ের প্রাণ এবং সুন্দর ভবিষ্যতের অন্বেষা।স্বভাবতই ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মানুবর্তিতা ও নান্দনিক সফল্য যেমন তৃপ্তিদায়ক তেমনিই সর্বস্তরের মানুষের গঠন মূলক সহযোগীতায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

বিদ্যাচর্চার পাশাপাশি আমরা শিক্ষার্থীর সার্বিক উন্নয়নে সমান যত্নবান। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক জগতে উন্নতি করে চলেছে। নাটক,ক্যুইজ,বির্তক,যুবপার্লামেন্ট প্রভৃতিতে বিভিন্ন প্রান্তে অংশগ্রহন করে পুরস্কার নিয়ে ফিরছে। পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের (বিড়লা মিউজিয়াম) সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী দ্বারা পরিচালিত বিজ্ঞান প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলায়ন উত্সব পালনে আমরা রাজ্যে প্রথম স্থান পেয়েছি।

বিদ্যালয়ের অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী দরিদ্র পরিবারের, যে কারণে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত সুরুচিপূর্ণ দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেওয়া হয়েছে ছেলে –মেয়েদের নতুন বিদ্যালয় পোষাক।

আর্থিক প্রতিবন্ধকতা কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এগিয়ে চলার পথ রুদ্ধ করতে পারে না। চাই তাদের প্রতি ভালোবাসা ও সঠিক পরিবেশ। শুধু বিদ্যালয়ের কলেবর বৃদ্ধিতেই আমরা সীমাবদ্ধ নই, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী পরিচর্যায় সমান আন্তরিক।

চলার পথে যে সকল প্রতিবন্ধকতা আসবে তা কাটিয়ে ওঠার জন্য এলাকার সকল বিদ্যানুরাগী ও অভিভাবকের সহযোগিতা কাম্য।

শ্রীমনোজ ঘোষ

প্রধান শিক্ষক