History

১৯৩৫ সালে বিদ্যালয়টি এলাকার তৎকালীন জমিদার ঠাকুরদাস মহাশয় জায়গা দানে প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি। তখন বিদ্যালয়টির নাম দেওয়া হয় তিওড় ঠাকুরদাস গঙ্গাধর নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়।সেই স্থানে ব্রিটিশ সরকার এর আমলে বিদ্যালয়টি টিনের ছাউনি দেওয়া চারিদিকে খোলা বারান্দায় পঠন-পাঠন চলত। পরবর্তীতে ১৯৫০ সালে সরকারি অনুদান পায়, সেই অর্থে নির্মিত হয় একটি পাকা ঘর এবং তার চারপাশ সংলগ্ন বারান্দা নির্মিত হয়। যদিও Estd.1950.Order No.730,dt.05/04/1986.এভাবেই চলত দীর্ঘদিন ধরে পঠন-পাঠন। তারপর DPEPও SSM এর অর্থ আনুকূল্যে বর্তমানে বিদ্যালয়টি পূর্ণ কাঠামোর পায়। এরপর এ বিদ্যালয়ের নাম সরকারিভাবে পরিবর্তিত হয়ে তিওড় নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয় হয়।

এই প্রাচীন প্রাথমিক বিদ্যালয়টি র সুকৃতি ও সুখ্যাতি দেশ-বিদেশ জুড়ে আছে। এই বিদ্যালয়ের বহু ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হন না বললেই নয় এখানকার বাই গ্রামের ছাত্র-ছাত্রী একজন ভাবা এটোমিক এনার্জি, একজন ইসরোতে মহাবিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। এই বিদ্যালয় এই গ্রামের গর্ব অহংকার। আরো অনেক হয়তো ইতিহাস আছে যা আমার অজানা। বর্তমানে বিদ্যালয়টি তার প্রাচীন এবং বর্তমান সুকৃতি ও সুখ্যাতি রক্ষা করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলশ্রুতি নির্মল বিদ্যালয় পুরস্কার পাওয়া এবং 2017 সালে শিশু মিত্র পুরস্কার রাজ্য সরকার দ্বারা পুরস্কৃত হওয়া। খুব শিষ্টাচার ও নিয়মানুবর্তিতার মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়ে থাকে।

 

১৯৩৫ সালে বিদ্যালয়টি এলাকার তৎকালীন জমিদার ঠাকুরদাস মহাশয় জায়গা দানে প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি। তখন বিদ্যালয়টির নাম দেওয়া হয় তিওড় ঠাকুরদাস গঙ্গাধর নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়।সেই স্থানে ব্রিটিশ সরকার এর আমলে বিদ্যালয়টি টিনের ছাউনি দেওয়া চারিদিকে খোলা বারান্দায় পঠন-পাঠন চলত। পরবর্তীতে ১৯৫০ সালে সরকারি অনুদান পায়, সেই অর্থে নির্মিত হয় একটি পাকা ঘর এবং তার চারপাশ সংলগ্ন বারান্দা নির্মিত হয়। যদিও Estd.1950.Order No.730,dt.05/04/1986.এভাবেই চলত দীর্ঘদিন ধরে পঠন-পাঠন। তারপর DPEPও SSM এর অর্থ আনুকূল্যে বর্তমানে বিদ্যালয়টি পূর্ণ কাঠামোর পায়। এরপর এ বিদ্যালয়ের নাম সরকারিভাবে পরিবর্তিত হয়ে তিওড় নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয় হয়।

এই প্রাচীন প্রাথমিক বিদ্যালয়টি র সুকৃতি ও সুখ্যাতি দেশ-বিদেশ জুড়ে আছে। এই বিদ্যালয়ের বহু ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হন না বললেই নয় এখানকার বাই গ্রামের ছাত্র-ছাত্রী একজন ভাবা এটোমিক এনার্জি, একজন ইসরোতে মহাবিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। এই বিদ্যালয় এই গ্রামের গর্ব অহংকার। আরো অনেক হয়তো ইতিহাস আছে যা আমার অজানা। বর্তমানে বিদ্যালয়টি তার প্রাচীন এবং বর্তমান সুকৃতি ও সুখ্যাতি রক্ষা করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলশ্রুতি নির্মল বিদ্যালয় পুরস্কার পাওয়া এবং 2017 সালে শিশু মিত্র পুরস্কার রাজ্য সরকার দ্বারা পুরস্কৃত হওয়া। খুব শিষ্টাচার ও নিয়মানুবর্তিতার মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়ে থাকে।