History

একটি রান্নাঘর, একটি স্টোর রুম, একটি   ভোজন  কক্ষ ,বালক বালিকা পৃৃথক শৌচালয় আছে ।আছে  সোলার পাম্প, সাবমার্শেবল পাম্প ।কিন্তু পুরনো দিনের স্মৃতিি বহন করছে প্রাাঙ্গনের একটি বেল গাছ অপরটি একটি তেঁঁতুল গাছ ।বিদ্যালয়ের  প্রতিষ্ঠাতা  শিক্ষক প্রশান্ত গোস্বামী মহাশয়ের স্বপ্ন আজকের বাস্তব ।

একটি বিদ্যালয় স্থাপন করার জন্য গোবিন্দপুরে আসেন ।কিন্তু জায়গার অভাবেতা সম্ভব হয় নি ।তখন তিনি গোবিন্দপুর গ্রামের অন্তর্গত রসিকডাঙ্গাতে আসেন ।ওখানে  তিনি সাঁওতাল অধিবাসীদের বোঝান ।কারণ তখন ওখানের শিশুদের আউলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়েপড়তে আসতে হত।কিন্তু জমির আলপথ ভিন্ন  কোনো রাস্তা ছিল না ।তাই প্রশান্ত বাবুর কথায় রাজি হয়ে গেল সকলে।গ্রামের ছাত্র অভিভাবক সকলে মাটির দেওয়াল তুলে তালপাতার ছাউনি দিয়ে রসিকডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পত্তন হল।কিন্তু আজ আর সেই পুরনো বাড়িটি নেই । 2008 ও 2010 সালে পরপর দুটি অতিরিক্ত শ্রেণীকক্ষের  অনুুুদান লাভ করে ।বর্তমানে বিদ্যালয়ে দুুটি শ্রেণীকক্ষ ।

রসিকডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে স্থাপিত হয় ।সে সময় আউলিয়া গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল ।কিন্তু পাশের গ্রাম গোবিন্দপুরেকোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল না ।সে সময় পাশের নিকটবর্তী  বাঁকুড়া জেলার নিবড়া গ্রাম থেকে প্রশান্ত গোস্বামী মহাশয়