
Rulea and regulations of our school
১. দৈনন্দিন প্রার্থনা সভায় ১০-৪০ মিনিটে সকলের উপস্থিতি আবশ্যক।
২. সকাল ১০-৪০ এর পূর্বে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হবে।
৩. শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতিতে সমবেতভাবে নীরবতা পালন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের কাজ আরম্ভ হবে।
৪. সকাল ১০-৫০ মিনিটে বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন শুরু হবে। এ সময় কোনো শিক্ষার্থী মাঠে কিংবা করিডোরে যথেচ্ছ ভাবে ঘোরাঘুরি করতে পারবে না। এমনকি নিজ নিজ ক্লাসরুমের বাইরেও বেরোতে পারবে না।
৫. কোনো ক্লাস শেষ এবং পরবর্তী ক্লাস শুরুর মধ্যবর্তী স্বল্প বিরতিতে কোনো শিক্ষার্থী শ্রেণীকক্ষের বাইরে অপ্রয়োজনে বেরোতে পারবে না। এক্ষেত্রে কেউ নিয়ম অমান্য করলে তাকে যথোপযুক্ত শাস্তি ভোগ করতে হবে। ক্লাস মনিটরের আদেশানুসারেই প্রতিবারে দুজন করে শিক্ষার্থী বাইরে বেরোতে পারবে। এক্ষেত্রে পাস কার্ড সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক।
৬. ১ম এবং ৫ম পিরিয়ডের পর কেউ বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরোতে পারবে না।
৭. চুল রং করা, অমার্জিত চুল কাটা , বিভিন্ন অলংকার পরিধান শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে। অভিভাবকগণ এব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন।
৮. বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে অনুপস্থিতির পরবর্তী দুই দিনের মধ্যে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে অভিভাবকের স্বাক্ষরিত ছুটির দরখাস্ত শ্রেণী শিক্ষকের নিকট জমা দিয়ে সেটি অবশ্যই অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।
৯. প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ব্যতীত যে কোন কারণেই বিদ্যালয়ের ছুটি হওয়ার পূর্বে বিদ্যালয় ত্যাগ করা, দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। একটানা একমাস অনুপস্থিত থাকলে ছাত্রের নাম হাজিরা খাতা থেকে কাটা যাবে।
১০. বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট পোশাক-সাদা হাফ /ফুল শার্ট , নীল রঙের হাফ প্যান্ট /ফুল প্যান্ট , সাদা মোজা ও সাদা কেড্স এবং আইডেন্টি কার্ড পরিধান প্রতিটি ছাত্রের জন্য বাধ্যতামূলক।
১১. শ্রেণি শিক্ষকের নিৰ্দেশানুযায়ী প্রতিটি বিষয়ের জন্য পৃথক খাতা তৈরি করতে হবে।
১২. অনুত্তীর্ণ ছাত্ররা পুনরায় এই বিদ্যালয়ে পড়তে ইচ্ছুক হলে প্রধান শিক্ষক মহাশয়ের অনুমতি নিয়ে ১৫ই জানুয়ারীর মধ্যে ভর্তি হবে।
১৩. সমস্ত পর্যায়কালীন ও বার্ষিক মৌখিক পরীক্ষার মিলিত নম্বরের ভিত্তিতে উত্তীর্ণ হবার যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে।
১৪. অভিভাবক ও শিক্ষকের যৌথ সভায়, ছাত্রের বাবা / মা বা অভিভাবকের উপস্থিতি আবশ্যক। এই সভায় বা অন্য কোন অবিভাবক তলবিতে (Guardian Call) নির্দিষ্ট অবিভাবক ব্যতীত অন্য কারুর উপস্থিতি গ্রাহ্য হবে না।
১৫. মোট পঠন-পাঠন দিবসের ৭৫ শতাংশ উপস্থিতি , ছাত্র নির্দেশিকা পূরণ ও সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক।
১৬. অনুপস্থিতির কারণ লিপিবদ্ধকরণ ও অভিভাবকের স্বাক্ষর আবশ্যিক, অন্যথায় পরীক্ষায় বসবার অনুমতি পাওয়া যাবে না। যে কোনো প্রয়োজনে বিদ্যালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিদ্যালয় নির্ধারিত পোশাক (ইউনিফর্ম) পড়া বাধ্যতামূলক।
১৭. ডায়েরীর নির্দিষ্ট পাতায় প্রতি পিরিয়ডের ঘরে অতি সংক্ষেপে বিষয়সূচী ও বাড়ির কাজ লিখতে হবে। বাড়ির কাজ দেখা না হলে ছাত্র নির্দেশিকাতে নিয়মিত লিখতে হবে।
১৮. ছাত্র-নির্দেশিকা এবং প্রগতিপত্র হারালে বা নষ্ট হলে ৫০ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
১৯. ছাত্র-নির্দেশিকা না রাখলে অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়।
২০. প্রতিটি পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন এর পরীক্ষিত উত্তরপত্র নির্দিষ্ট দিনে কেবল মাত্র অভিভাবকের প্রদান ও স্বাক্ষর সহ গ্রহণ করা হবে।
২১. প্রতিটি প্রস্তুতিকালীন মূল্যায়ন সেই সময়ের পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের পূর্বে সম্পন্ন না করলে উক্ত পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নে বসতে দেওয়া হবে না।
২২. বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন নিয়ে এলে , সেটা বাজেয়াপ্ত করা হবে। একই অপরাধ দ্বিতীয়বার করলে দোষী ছাত্রকে বিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হবে।
২৩. বিদ্যালয়ের নিয়মশৃঙ্খলা সমবেতভাবে রক্ষা করতে হবে।
২৪. বিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সকলের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
২৫. কোনো শ্রেণির আসবাব, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বা বিদ্যালয়ের যে কোন সম্পত্তি নষ্ট হলে দোষী ছাত্রের/ ছাত্রদের অভিভাবক / অভিভাবকদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
২৬. বিনা অনুমতিতে এক নাগাড়ে ৭ দিন বা ততোধিক সময় কোনো ছাত্র বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না।
২৭. প্রজেক্ট ওয়ার্কের খাতা যে নির্দিষ্ট দিনে জমা দেওয়ার কথা, সেই দিনে জমা না করলে পরে আর জমা নেওয়া হবে না। এর জন্য উক্ত শিক্ষার্থী কোনো রূপ নম্বর ও পাবে না।
২৮. শ্রেণিকক্ষে কোনো শিক্ষার্থী কোনোরূপ মূল্যবান সামগ্রী যেমন- দামী ঘড়ি , মোবাইল ,অলংকার , দামী খেলনা এমনকি প্রয়োজনাতিরিক্ত অর্থ আনতে পারবে না, এক্ষেত্রে কেউ বিদ্যালয়ের নিয়মাবিধি অমান্য করলে এবং উক্ত ব্যবহৃত সামগ্রী হারিয়ে গেলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।
২৯. কোনো রকম সংক্রামক ব্যাধিতে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন নেই. এক্ষেত্রে চিকিৎসক প্রদত্ত সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য হবে।
৩০. বিদ্যালয়ের প্রতিটি ছাত্রকে (V-VIII) টিফিন পিরিয়ডে মিড্-ডে-মিল অতি অবশ্যই খেতে হবে। এক্ষেত্রে কোনোরূপ বাইরের খাবার (Fast Food) গ্রহণযোগ্য হবে না।