
২রা জানুয়ারী থেকে শিক্ষাবর্ষের পঠন পাঠন শুরু হয়। ওই দিন পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রদত্ত বই দেওয়া হয় ।
বিদ্যালয়ের প্রাক্ প্রাথমিক শ্রেণী থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত সকল শ্রেণীর পঠন পাঠন চলে সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত।
প্রতিদিন বিদ্যালয় শুরু হয় সকাল ৬.২০মিঃ থেকে। প্রার্থনা হয় ৬.২০মিঃ থেকে ৬.৩০মিঃ পর্যন্ত। প্রত্যেক ছাত্রী ও শিক্ষিক ও শিক্ষিকার প্রার্থনায় যোগদান করা বাধ্যতা মূলক।
প্রত্যেক ছাত্রীর স্কুলের নির্দিষ্ট পোষাক ও পরিচয়পত্র পরা বাধ্যতা মূলক।
৬.২০মিঃ এ প্রার্থনার ঘন্টা পড়ার সাথে, ছাত্রীদের প্রত্যেককে শ্রেনীবদ্ধ ভাবে প্রার্থনার সারিতে দাঁড়াতে হবে। প্রার্থনায় প্রতিদিন প্রার্থনা সংগীত ও স্বাস্থ্য বিধান গান করা হবে । তারপর মহাপুরুষের বাণী পাঠের মধ্যদিয়ে প্রার্থনা সমাপ্ত হবে ।
প্রার্থনা সমাপ্ত হওয়ার পর ছাত্রীদের সারিবদ্ধ ভাবে শৃঙ্খলা রক্ষা করে নিজ নিজ শ্রেণী কক্ষে বসতে হবে ।
৬.৩০মিঃএ প্রথম ক্লাস শুরুর ঘন্টা পড়ে । প্রথম ক্লাসের সময় সূচি ৬.৩০মিঃ থেকে ৭.১৫মিঃ পর্যন্ত।
২য় ক্লাসের সময় সূচি ৭.১৫ মিঃ থেকে ৭.৫৫ মিঃ পর্যন্ত, ৩য় ক্লাসের সময় সূচি ৭.৫৫ মিঃ থেকে ৮.৩০ মিঃ পর্যন্ত।
সোমবার থেকে শুক্রবার ৮.৩০মিঃ থেকে ৯.০০মিঃ পর্যন্ত টিফিন।
সোমবার থেকে শুক্রবার ৯.০০মিঃ থেকে ৯.৩০ মিঃ পর্যন্ত প্রাক্ প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর শেষ পিরিয়ড। ৯.৩০ মিঃএ মিডডে মিল গ্রহনের পর প্রাক্ প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর ছুটি ।
শনিবার ৮.৩০মিঃএ মিডডে মিল গ্রহনের পর প্রাক্ প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর ছুটি ।
সোমবার থেকে শুক্রবার ৯.৩০ মিঃ থেকে ১০.০০মিঃ পর্যন্ত ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর শেষ পিরিয়ড । ১০.০০মিঃ মিডডে মিল গ্রহনের পর ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর ছুটি ।
শনিবার ৯.০০মিঃ মিডডে মিল গ্রহনের পর ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর ছুটি ।
সোমবার থেকে শুক্রবার ১০.৩০মিঃ বিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিভাগের দৈনন্দিন কর্মসূচি সেই দিনের মত শেষ হয় ।
শনিবার ৯.৩০মিঃ বিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিভাগের দৈনন্দিন কর্মসূচী সেই দিনের মত শেষ হয় ।
সোমবার থেকে শুক্রবার ৯.৩০মিঃ থেকে ১০.০০মিঃ এবং শনিবার ৮.৩০মিঃ থেকে ৯.০০মিঃ মধ্যে অভিভাবক অভিভাবিকা গণ প্রধান শিক্ষিকার সহিত প্রয়োজনে দেখা করতে পারেন।
কোনো ছাত্রী পর পর ৩ দিন অনুপস্থিত থাকলে শ্রেণী শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে সঠিক কারন জানিয়ে লিখিত ছুটির অবেদন করা বাধ্যতা মূলক।
অসুস্থতার কারণে অনুপস্থিত থাকলে ছুটির অবেদনের সাথে চিকিৎসকের শংসাপত্র দেওয়া বাধ্যতা মূলক।
শিক্ষাবর্ষের প্রথমে সমস্ত অভিভাবক অভিভাবিকা গণ কে নিয়ে শ্রেণী ভিত্তিক পৃথক সভা করে, তাদের বিদ্যালয়ের নিয়ম অবগত করানো হয় ।
একটি শিক্ষাবর্ষে বিদ্যালয়ে তিনবার "নিরবচ্ছিন্ন ও সামগ্রিক মূল্যায়ন" (CCE) পদ্ধতির মাধ্যমে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় ।
১ম পর্ব - জানুয়ারি থেকে এপ্রিল।
২য় পর্ব - মে থেকে আগস্ট।
৩য় পর্ব - সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর।
প্রত্যেক মূল্যায়নের আগে অভিভাবক অভিভাবিকা গণের সহিত ওই মূল্যায়নের পঠন পাঠন, মূল্যায়ন ও মূল্যায়ন সূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রত্যেক পর্বের মূল্যায়নের শেষে অভিভাকগণকে উত্তর পত্র দেখানো হয়।