Rules & Regulations

১.       বিদ্যালয়ের দিনপঞ্জী:

  • প্রত্যেক ছাত্রকে বিদ্যালয়ের দিনপঞ্জী প্রতিদিন বিদ্যালয়ে নিয়ে আসতে হবে।
  • শিক্ষার্থী সম্পর্কিত তথ্যাবলী যথাযথভাবে পূরণ করা না থাকলে ওই দিনপঞ্জী গ্রাহ্য হবে না।

 

২.       উপস্থিতি:

  • প্রত্যেক ছাত্রকে বছরে অন্তত: শতকরা ৭৫ দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হবে। উপস্থিতির হার কম হলে কোন পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।
  • কোন কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে না পারলে দিনপঞ্জীতে অভিভাবকের স্বাক্ষরসহ অবশ্যই তার উল্লেখ করতে হবে এবং দিনপঞ্জী শ্রেণি-শিক্ষকের নিকট জমা দিতে হবে। দিনপঞ্জিতে উপযুক্ত স্থানে এরূপ লিখিত প্রমাণ না থাকলে ছাত্র বিদ্যালয়ে আসলেও তাকে উপস্থিত বলে গণ্য করা হবে না।
  • বিলম্বে উপস্থিত/নির্ধারিত সময়ের পূর্বে বিদ্যালয় ত্যাগ করতে হলে প্রত্যেক ছাত্রকে পিতা/অভিভাবক/অভিভাবিকা স্বাক্ষরসহ দিনপঞ্জীর নির্ধারিত পাতায় আবেদন পত্র লিখে আনতে হবে।
  • শিক্ষার্থীরা যাতে নিয়মিত বিদ্যালয় উপস্থিত হয় সেই বিষয়ে বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে অভিভাবকগণকে অনুরোধ করা হচ্ছে।

 

৩.      শৃঙ্খলা:

  • প্রার্থনায় অংশগ্রহণ আবশ্যিক।
  • বিদ্যালয়ের জন্য নির্দিষ্ট পোশাক ও ব্যাজ ছাড়া বিদ্যালয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ।
  • শ্রেণিকক্ষ থেকে শিক্ষক/শিক্ষিকা বা মনিটরের বিনা অনুমতিতে বাইরে যাওয়া চলবে না।
  • সাধারণত: বিশেষ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া প্রথম পিরিয়ড, বিরতির আগের ও পরের পেরিয়ড ও শেষ পেরিয়ডে কাউকে বাইরে যেতে দেওয়া হবে না।
  • বিরতির শেষে প্রথম ঘন্টা পড়ার পর অবশ্যই শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করতে হবে।
  • বিদ্যালয় চলাকালীন একমাত্র অভিভাবক ছাড়া বাইরে আর কারো সঙ্গে দেখা করা চলবে না।
  • বিদ্যালয়ে একবার আসলে একমাত্র অসুস্থতা ছাড়া বিদ্যালয় ত্যাগ করা চলবে না।
  • বিদ্যালয়ের সমস্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
  • কোন ছাত্র বা ছাত্র-গোষ্ঠী বিদ্যালয়ের কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করলে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং প্রয়োজনবোধে তার/তাদের নাম কেটে দেওয়া হবে।
  • পরীক্ষায় কেউ অসদুপায় অবলম্বন করলে প্রয়োজন বোধে তাকে বহিষ্কৃত করা হবে। তার অপরাধের গুরুত্ব অনুসারে তার সমস্ত পরীক্ষায় বাতিল বলে গণ্য হতে পারে।
  • বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকাকে উপযুক্ত মর্যাদা দান এবং তাদের প্রতি যথোচিত সম্মান ও আনুগত্য প্রদর্শন প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অবশ্য কর্তব্য।

 

৪.       পাঠোউন্নতি:

  • শিক্ষার্থীদের পাঠ্য উন্নতির দিকে সর্বদাই সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়, পড়া শোনার আশানুরূপ উন্নতি করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর অভিভাবক/অভিভাবিকা কে জানানো হয়।
  • শিক্ষার্থীর সার্বিক উন্নতির জন্য পিতা/মাতা অভিভাবকের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক / শ্রেণী শিক্ষক মহাশয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা একান্ত কাম্য।
  • বিভিন্ন বিষয়ে দেয় কার্য (Task) যাতে শিক্ষার্থী নিয়মিত শেষ করে এবং বাড়িতে নিয়মিত পাঠাভ্যাস করে সে বিষয়ে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে অভিভাবকগণকে অনুরোধ করা হচ্ছে।
  • প্রতিটি পরীক্ষায় ছাত্রদের উপস্থিতি পরবর্তী শ্রেণীতে উন্নীত হবার একমাত্র মাপকাঠি। এ ব্যাপারে অন্য কোনরূপ আবেদন গ্রাহ্য করা হবে না।
  • বাৎসরিক পরীক্ষা বা টেস্ট পরীক্ষা সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
  • সংক্রামক ব্যাধিগ্রস্থ কোন ছাত্রকে পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেক্ষেত্রে তার অন্যান্য পর্ব পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সে উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ নির্ধারিত হবে।
  • কোন শ্রেণীর কেউ পরপর দুবার বাৎসরিক পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হলে তাকে বিদ্যালয়ে রাখা সম্ভব হবে না এবং এ অবস্থায় তাকে বাধ্যতামূলক ট্রান্সফর সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
  • ছাত্রের পাঠোন্নতির বিষয়ে অভিভাবকদের অবগতির জন্য প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষার খাতা অভিভাবকগণ বিদ্যালয় বসে দেখতে পারেন। এজন্য ফল প্রকাশিত হওয়ার সাত দিনের মধ্যে ডায়েরিতে লিখে জানাতে হবে।
  • পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণীর ছাত্ররা প্রতিটি বিষয়ে শতকরা 25 নম্বর পেলে উত্তীর্ণ বলে গণ্য করা হবে।

 

৫.       সহ-পাঠ্যক্রমিক পাঠক্রমিক কার্যাবলী:

  • বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।
  • মনীষীদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়।

 

৬.      অন্যান্য নিয়মাবলী:

  • বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময় উপযুক্ত প্রমান পত্রের সাহায্যে যথাযথ বয়স প্রতিপন্ন করতে হবে। পরবর্তীকালে তার কোনরূপ পরিবর্তনের আবেদন গ্রাহ্য হবে না।
  • যদি কোন ছাত্র বিদ্যালয় বদল করতে চায় তবে তাকে ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে প্রয়োজনীয় দরখাস্ত করতে হবে অন্যথায় পরের বছরের অন্যান্য বার্ষিক দেয় ফি দিতে হবে।
  • ছাত্রদের অপরাধের কথা জানিয়ে অভিভাবকদের নিকট ডায়েরি মারফৎ সংবাদ জানানো হলে অবশ্যই নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে প্রধান শিক্ষকের সহিত তাঁদের সাক্ষাৎ করতে হবে। এ ব্যাপারে নীরব বা নিষ্ক্রিয় থাকলে ছাত্রকেই তার শাস্তিভোগ করতে হবে। এমনকি এজন্য ছাত্রকে বিদ্যালয় ত্যাগ করতেও হতে পারে।
  • বার্ষিক পরীক্ষার প্রত্যেক শ্রেণীর কৃতি পুরস্কার দেওয়া হয়।