


প্রসঙ্গ – আমাদের বিদ্যালয়
‘ উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত’- কঠোপনিষদ্
"Light! More light!" - Goethe's last words / Herblock.
.
“চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির
জ্ঞান যেথা মুক্ত যেথা গৃহের প্রাচীর” - শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১লা মে ২০০৫ সাল।খাতায় কলমে এই দিনেই রাজাপুর -দক্ষিণ বাড়ি-মহিষগোট- মহিষনালা-চকহরি সহ এতদ অঞ্চলের অগণিত শিক্ষানুরাগী মানুষগণ দীর্ঘ দিনের অন্তরের স্বপ্ন বাস্তবের মাটিতে শক্ত ভিত তুলতে সক্ষম হলেন।শিক্ষা অন্তপ্রান গ্রামবাসীদের আন্তরিক আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভূমি দান করতে এগিয়ে এলেন হাওড়া মল্লিক ফটকের বাসিন্দা মহানুভব ব্যক্তি শ্রদ্ধেয় শ্রী হৃষিকেশ ভট্টাচার্য্য মহাশয়।এলাকার দাবি এবং চাহিদা পূরণে পশ্চিম বঙ্গ সরকার রাজাপুর দক্ষিনবাড়ি জুনিয়র হাইস্কুল খোলার ক্ষেত্রে সরকারি ছাড়পত্র দিলেন। সেই শুরু । আর ফিরে তাকাতে হয়নি।আমাদের এই স্বপ্নের বিদ্যালয় সদ্য প্রয়াত প্রধান শিক্ষক শ্রী প্রভাত কুমার মণ্ডল মহাশয়ের সুযোগ্য নেতৃত্ব এবং কর্ম তৎপরতায় ২০১২ সালে মাধ্যমিক ও ২০১৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়রূপে উন্নীত হয়।
বর্তমানে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সকল শিক্ষার্থী অত্যন্ত নিষ্ঠা সহকারে পড়াশুনা করে বিবেক –বুদ্ধি এবং জ্ঞানের চর্চায় আদর্শ মানুষ হয়ে ওঠার শিক্ষা লাভ করার সুযোগ পাচ্ছে।আর এই মহৎ উদ্দেশ্যকে সফল করে তোলার জন্য মহামান্য পশ্চিম বঙ্গ সরকারের শিক্ষা দপ্তরের বহুমুখী সাহায্য এবং এলাকার অসংখ্য মহানুভব শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের একান্ত প্রচেষ্টায় বর্তমানে এই বিদ্যালয় হয়ে উঠেছে এক পবিত্র মন্দির স্বরূপ।সামগ্রিকভাবে এই শিক্ষাঙ্গন বহুমাত্রিক দ্বায়িত্ব এবং কর্মসূচী নিষ্ঠা সহকারে পালন করে চলেছে।এর মাঝেই চলছে ছেলে মেয়েদের মানুষ করে তোলার নিরলস তপস্যা।আর এই কাজে সমস্ত সহ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উন্নত চিন্তা চেতনা ছাড়াও সদা কর্ম চঞ্চল আন্তরিক দায় দ্বায়িত্ব বোধ- মূল্য বোধ এবং নিয়ম শৃঙ্খলা বোধের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্র ছাত্রীগণ প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে। বিদ্যালয়ের শুভ যাত্রা পথ থেকে শুরু করে বর্তমান পরিচালন সমিতির সকল সদস্যগণের ঐকান্তিক নিষ্ঠা,সৎ পরামর্শ ও কর্ম তৎপরতায় ভাবি কালে এই প্রতিষ্ঠানটি আলাদা মর্যাদা অর্জন করবে সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।
ভার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ( শ্রী বিপ্লব প্রামানিক)