
ভেটাগুড়ি লালবাহাদুর শাস্ত্রী বিদ্যাপীঠ ষাটের দশকে পথ চলা শুরু করে। শুরুতে শিক্ষক ছিলেন মাত্র দুজন। এলাকার মানুষকে শিক্ষিত করে তুলতে ১৯৬৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই স্কুল।স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় এবং উমেশ চন্দ্র মণ্ডলের উদ্যোগে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল। স্কুল গড়ে ওঠার বছরেই প্রয়াত হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য এক শোকসভার আয়োজন করা হয়, ওই শোকসভায় স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ছাড়াও স্কুল গড়ে তোলার অন্যতম উদ্যোগী উমেশচন্দ্র এবং কোচবিহারের জেলা সমাহর্তা নীতীশ কুমার সেনগুপ্ত উপস্থিত ছিলেন।শোকসভার পর সকলের উপস্থিতিতে স্কুলের নামকরণ লালবাহাদুর শাস্ত্রী নামে করার প্রস্তাব করা হয়। দুজন শিক্ষক দিয়ে যাত্রা শুরু হয়, প্রথম প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন সুশীল কুমার রায় এবং সহশিক্ষক হিসাবে যোগ দেন দিলীপ সেনগুপ্ত। ১৯৬৬ সালে পথ চলা শুরু করে বর্তমানে অর্ধ শতাব্দী পারকরে আজ নতুন কলেবরে সেজে উঠেছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে প্রায় দু’হাজার ছাত্রছাত্রী এবং ৪৩ জন শিক্ষক শিক্ষিকা। সকলের সহযোগিতায় মনোরম পরিবেশে সার্বিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে ছাত্রছাত্রীরা।