History

বিগত 1951 সালের 15th January তেলিনীপাড়া ভদ্রেশ্বর প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয় উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাথে। সেই সময় তেলিনীপাড়া বালিকা বিদ্যালয় এর অংশ হিসাবে পঠন পাঠন এর কাজ চলত তেলিনীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ভবনে। তখন নিজস্ব কোন ভবন ছিল না। শুরুতে তৃতীয় শ্রেণি থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত পঠন-পাঠন চলত।1960 সালে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি চালু হয় ।এই সময় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উভয় বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন প্রধান শিক্ষিকা শ্রদ্ধেয়া গোপাহেমাঙ্গী রায়। উভয় বিভাগের একটাই কার্যকরী সমিতি ছিল। ওই সমিতির সম্পাদক ছিলেন শ্রদ্ধেয় চিকিৎসক বিমল চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মহাশয়। ( তথ্যসূত্র :- 9/11/1994 তারিখে উচ্চবিদ্যালয় প্রধানা কে লেখা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা র চিঠি।) পরবর্তীকালে বিদ্যালয়ের আলাদা ভবন তৈরির জন্য জমি কেনা হয়। কার্যকরী সমিতির হাতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে 4500 টাকা প্রদান করা হয়েছিল ভবন নির্মাণের জন্য । যদিও জমির দলিলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করা হয় নি। তবে উভয় বিভাগের স্বার্থে জমি ক্রয় করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল । 1969 সালে জানুয়ারি মাস থেকেই প্রাথমিক বিভাগটি তেলিনীপাড়া ভদ্রেশ্বর বালিকা বিদ্যালয় নামে তৎকালীন হুগলি -বর্ধমান -বীরভূম জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের অনুমোদন লাভ করে ।অনুমোদনের নম্বর-- 2068(3) 2R-2;dated 23/12/1969.

প্রাথমিক বিদ্যালয়টি একটি বালিকা বিদ্যালয়ের অংশ হিসাবে পরিদর্শক মহাশয় এর মতামতকে সম্মান জানিয়ে তেলিনিপাড়া ভদ্রেশ্বর প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয় হিসেবে পথ চলা শুরু করে -। যদিও এখানে বালক-বালিকা উভয়ই পড়াশোনার সুযোগ পাবে এই সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। 1951 সালে তৃতীয় শ্রেণি থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পঠন-পাঠন চালু হয়। 1969 সাল থেকে অনুমোদন লাভ করে প্রথম শ্রেণী থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত  প্রাত: কালীন বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন আলাদাভাবে শুরু হয়। 2014 সাল থেকে সরকারি নির্দেশে প্রাক প্রাথমিক স্তর নামে আরেকটি শ্রেণীর পঠন-পাঠন শুরু হয় বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পঠন-পাঠন চালু আছে একই ভবনে ।সকাল সাড়ে ছটা থেকে সাড়ে দশটা পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় ( সরকারি  নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকারা থাকেন বেলা 11 টা পর্যন্ত।) সাড়ে দশটার পর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন শুরু হয়। 10 জন শিক্ষক শিক্ষিকা আছেন ও316 জন ছাত্র-ছাত্রী এখানে পড়াশোনা করছে বর্তমান 2021 শিক্ক্ষাবর্ষ এ। সরকারি নির্দেশে মিড ডে  মিল প্রকল্প ও চালু আছে।

উভয় বিভাগের পারস্পরিক সহযোগিতায় সুশৃংখলভাবে বিদ্যালয় পরিচালনায় শিক্ষক শিক্ষিকারা ও বিদ্যালয়ের কমিটি যথেষ্ট যত্নশীল ও সজাগ দৃষ্টি রেখে চলেন। স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস পালন ও সরস্বতী পূজা উভয় বিদ্যালয়ের উদ্যোগে সম্পন্ন হয়। আশা করি ভবিষ্যতেও স্কুলের ঐতিহ্য বজায় রেখে আমরা চলতে পারব।