সম্ভবত 1912 খ্রিস্টাব্দে, স্থানীয় বিদ্যানুরাগী ব্যক্তি মৌলানা সুলতান সাহেব হাওড়া জেলার সাঁকরাইল থানার অধীনস্থ দক্ষিণ সাঁকরাইল গ্রামে, এলাকার ক
Academic Excellence - 2025
Empowering minds to achieve unparalleled academic excellence.
Above 90%
Above 75%
Above 60%
PASS OUT
TOTAL STUDENTS
HIGHER SECONDARY -
Above 90%
Above 75%
Above 60%
PASS OUT
TOTAL STUDENTS
MADHYAMIK -
-
HOI Message
সেই কবে সুদূর অতীতে 1930 সালে শিক্ষার মঙ্গল দীপ জ্বালিয়ে জমি দাতা প্রয়াত জনাব ফজলে হক মোল্লা মহাশয় এবং প্রতিষ্ঠাতা জনাব সুলতান আহমেদ মহাশয় অজ্ঞতা থেকে জ্ঞানের দিকে এবং অন্ধকার থেকে আলোর দিশা দিয়ে “সাউথ সাঁকরাইল হাই স্কুল” কে পথ চলতে শিখিয়েছিলেন | হাটি হাটি পা-পা করে চলতে চলতে অষ্টআশি বছর অতিক্রম করে আজ তা পশ্চিমবঙ্গের এক অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় উন্নীত হয়েছে সেদিনের সেই ছোট্ট চারাগাছটি উপযুক্ত অনুকূল পরিবেশ থেকে জল আলো- ও বাতাস পেয়ে আজ তা পত্র পুষ্পে সুশোভিত হয়ে মহীরুহে পরিণত |স্থানীয় সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি বর্গের আন্তরিক প্রয়াস, গঠনমূলক উন্নয়নে অভিভাবক/ অভিভাবিকাবৃন্দের সুপরামর্শ, সক্রিয় সাহায্য ও অকুণ্ঠ সহযোগিতা, বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সম্মানীয় সদস্যবৃন্দের অন লস স্বেচ্ছাশ্রম বিদ্যালয়ের মাননীয় শিক্ষক -শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীগণের ত্যাগ তিতিক্ষা নিরলস কর্মপ্রচেষ্টা ও স্নেহের ছাত্র-ছাত্রীদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও অদম্য ইচ্ছায় আমাদের বিদ্যালয় অপ্রতিহত গতিতে জ্ঞানের দীপ শিখার আলো ছড়ায় এএগিয়ে চলেছে সম্মুখ পানে | বিদ্যালয়ের সার্বিক কল্যাণ মঙ্গল ও উন্নয়নের সাথে যুক্ত সকল ব্যক্তিবর্গকে যথাস্থানে জানাই আমার বিনম্র, প্রণতি, আন্তরিক শ্রদ্ধার্ঘ্য, ঐকান্তিক শুভেচ্ছা ও হার্দিক অভিনন্দন | নিত্য নিঠুর দ্বন্দ্বময় পৃথিবীতে নানা বিচ্ছেদ বেদনার সঙ্গে প্রকৃতির আকস্মিক করালগ্রাস খরা, বন্যা, মহামারী, ভূমিকম্প, অগ্নুৎপাত, দাবানল পারস্পরিক হিংসা হানাহানি ও ভয়ঙ্কর যুদ্ধের অদৃশ্য হুংকার প্রতিমুহূর্তে আশঙ্কার কালো ছায়ায় গ্রাস করে ফেলেছে মানুষের জীবনকে | মানুষের সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ড সুস্থ সংস্কৃতি ও সুকুমার প্রবৃত্তি গুলি আজ সত্যিই বড় বিপন্ন ও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন |মানুষ আজ ‘গোবি-সাহারা র একরাশ শূন্যতা বুকে নিয়ে শুধু দিন যাপনের ও প্রাণ ধারণের গ্লানি বয়ে বেড়াচ্ছে প্রকৃতির অন্তরালে পরমেশ্বরের এবং বিভিন্ন রকম জটিল কঠিন সামাজিক অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে মানুষের সমস্ত শুভবুদ্ধি সৎ চিন্তা চেতনা ও আশা-আকাঙ্ক্ষাকে এহেন অবস্থায় ক্ষুধার গদ্যময় পৃথিবীতে সেকি পারে কবিতার স্নিগ্ধতা নিজেকে ডুবিয়ে রাখতে পূর্ণিমার অপরূপ মনোহারিণী চাঁদের সৌন্দর্য সুধাকে সে চেষ্টা করেও যেন আস্বাদন করতে পারছে না তাই মানুষ আজ সত্যিই বড় অসহায় নিরাপত্তাহীনতা ও দিশাহারা অবস্থার মধ্যে কোন রকমে টিকে আছে |