
কয়েকটি তথ্য
১। ১০-৪০মি: প্রার্থনা, ১০-৫০ টায় ক্লাস শুরু, বিকেল ৪-৩0 মি: ছুটি।বিদ্যালয়ের প্রার্থনায় প্রত্যেক ছাত্রীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
২। বিদ্যালয়ের আসার ছাত্রীদের পোষাক:- পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী স্কার্ট, নীচের নেভী ব্লু, উপরে সাদা । নবম ও দশম শ্রেণীর নেভী ব্লু সালোয়ার, সাদা কামিজ ও নেভী ব্লু ওড়না । সাদা কেডস ও মোজা । শীতকালে নেভী ব্লু সোয়েটার ১টি হাফহাতা ও ১টি ফুলহাতা । বর্ষাকালে বর্ষার জুতো অন্য সময় কেডস, মোজা পরে আসা বাধ্যতামূলক। বিদ্যালয় পোষাক ব্যতীত অন্যান্য সাজপোষাকে বিদ্যালয় প্রবেশ শাস্তিযোগ্য অপরাধ ।
৩।বিদ্যালয়ের বার্ষিক দেয় এককালীন ডিসেম্বর মাসের মধ্যে অবশ্যই মিটিয়ে দিতে হবে।
৪। স্কুল চলাকালীন কোন ছাত্রীর সঙ্গে অভিভাবক সাক্ষাৎ করতে চাইলে অফিসের অনুমতি অবশ্যই নিতে হবে।
৫।সমস্ত শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তক নতুন সংস্করণ দেখে কিনতে হবে।
৬। বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত হলে যথোপযুক্ত কারণ দেখিয়ে বিদ্যালয় আসার দিন অভিভাবক পত্রের সঙ্গে ডাক্তারের সার্টিফিকেট অবশ্যই দিতে হবে।
৭। বিদ্যালয় চলাকালীন জরুরি কারণে অভিভাবকের লিখিত আবেদন পত্রের ভিত্তিতে ছাত্রী বাড়ি যেতে পারবে।
৮।বিদ্যালয়ের প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত টাকা পয়সা আনতে নিষেধ করা হচ্ছে।
৯। প্রত্যেক ছাত্রীকে প্রতিদিন জলের বোতল ও টিফিন আনতে হবে এবং বোতল ও টিফিন বাক্স নিজ দায়িত্বে রাখতে হবে। টিফিনের সময় ব্যতীত বাইরে জল খাওয়া যাবেনা ।
১০। বিদ্যালয় চলাকালীন জরুরি কারণবশতঃ বাড়ী যাওয়ার পথে যে কোনো দুর্ঘটনার জন্য বিদ্যালয় দায়ী থাকবে না ।বিদ্যালয়ে প্রবেশের পর বিদ্যালয় না ছুটি হওয়া পর্যন্ত বাইরে যাওয়া নিষেধ ।
১১| বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের দিনগুলিতে অন্যান্য দিনগুলির মত বিদ্যালয় পোশাকে প্রত্যেক ছাত্রীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক৷
১২| বাৎসরিক উপস্থিতির হার অবশ্যই ৭৫% অবশ্যই হতে হবে ।
নতুবা বাৎসরিক পরীক্ষায় বসতে দেওয়া যাবে না । নবম ও দশম শ্রেণীর জন্য এই নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলা হবে।
১৩| ইউনিট টেস্ট ও বার্ষিক পরীক্ষা চলাকালীন যে কোনো দিন অসুস্থতার কারণে অনুপস্থিত হলে সেই দিনেই অভিভাবককে লিখিত আবেদনসহ অবশ্যই জানাতে হবে ।
১৪| ছাত্রীরা প্রতি বিষয়ের ইউনিট টেস্ট যাতে ভালোভাবে দেয় সে ব্যাপারে অভিভাবকগণকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
১৫| বাৎসরিক পরীক্ষার ঘোষিত ফলাফল অবশ্যই সর্বশেষ চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। অনুত্তীর্ণ ছাত্রীদের ক্ষেত্রে পুনরায় বিবেচনার অবকাশ থাকছে না ।
১৬| প্রথম দিন থেকেই নতুন ছাত্রীদের বিদ্যালয় পোশাকে আসতে হবে।
১৭| প্রতি শ্রেণির বার্ষিক ও মাধ্যমিক পরীক্ষার ভালো ফলের জন্য ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সফল ছাত্রীদের পুরস্কৃত করা হয়।
১৮| ছাত্রীদের পঠন-পাঠনের উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষিকা ও অভিভাবকের যুগ্ম সহযোগিতা একান্ত কাম্য । সেই জন্য প্রত্যেক অভিভাবককে অভিভাবক সভাগুলিতে উপস্থিত থাকতে হবে। অষ্টম ও নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন অভিভাবকদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
১৯| বিদ্যালয়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহণ বাধ্যতামূলক।
২০| বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার সন্তোষজনক হতে হবে।
২১| নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীরা পরীক্ষা সংক্রান্ত কাগজপত্র যথাসময়ে স্বাক্ষর না করলে তাদের পরীক্ষা দায়িত্ব বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নেবে না।