ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যালয়ে সময়ে উপস্থিত হবে। ছুটির আগে বাড়ি যাবে না।
সকলের প্রতি নম্র হবে, শৃঙ্খলাপরায়ণ হবে। মনে রাখবে স্কুলের সুনাম হয় ছাত্রছাত্রীদের সুব্যবহারের সুনামে।
ছাত্রছাত্রীরা তাদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সচেতন হবে। শারিরীকভাবে সুস্থ থাকলে তবেই সুন্দর থাকা যায়।
চিৎকার চেঁচামেচি না করে, যেখানে সেখানে নোংরা না ফেলে, নেশার জিনিস বর্জন করে, পরস্পরকে সন্মান জানিয়ে পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার দায়িত্ব ছাত্রছাত্রীদেরই।
দুর্বলকে সাহায্য, বাড়িতে বাবা, মা, চাচা, চাচি থেকে শুরু করে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাদের সন্মান জানানোর মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে ছাত্রছাত্রীদের। বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে।
প্রতিদিন বিদ্যালয়ের ইউনিফর্ম পরে বিদ্যালয়ে আসতে হবে। অন্য পোশাকে আসা যাবে না। বিদ্যালয়ের পোশাকে যেখানে সেখানে যাওয়া যাবে না। বিদ্যালয়ে প্রতিদিন ডায়রি আনতেই হবে।
শ্রেণিশিক্ষকের অনুমতি ছাড়া বাড়ি যাওয়া যাবে না, বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে বাড়ি থেকে অভিভাবকের চিঠি ডায়রিতে লিখে আনতে হবে। অসুস্থ অবস্থায় বিদ্যালয়ে আসা যাবে না। কোনও অজুহাতেই বিদ্যালয় থেকে ছুটির আগে ছাড়া হবে না।
ডায়রিতে সঠিক ফোন নাম্বার লিখে দিতে হবে। কোনও কারণে অসুস্থ হলে ফোন করে অভিভাবককে ডাকা হবে।
ক্লাস চলাকালীন বাইরে বেরোনো যাবে না। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও ষষ্ঠ পিরিওড ছাড়া বাইরে বাথরুমে বা জল খেতে যাওয়া যাবে না।
প্রত্যেক ছাত্রছাত্রী বাড়ি থেকে এক লিটারের বোতলে জল নিয়ে আসবে। বোতলের গায়ে মার্কার পেন অথবা নেল পালিশ দিয়ে নাম লিখে রাখবে।
ক্লাস চলাকালীন জল খাবার নামে দলে দলে ছাত্রছাত্রী বেরোলে স্কুলের শৃঙ্খলা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। এটা করা যাবে না।
প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে বাড়িতে একটা করে গাছ বসাতেই হবে। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে গড়া কমিটি কড়া নজর রাখবে।
বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের কাছে মোবাইল বরদাস্ত করা হবে না। অভিভাবকদের অনুরোধ কোনও চাপে আপনার সন্তানের হাতে মোবাইল দেবেন না। অচিরেই তা আপনার বিপদের কারণ হতে পারে।
জল হল জীবন। জল নষ্ট করা অপরাধ। এমনিতেই ধূলাগড়িতে জলসংকট দেখা দিয়েছে। জলের অপচয় রুখে দিতে হবে ছাত্রছাত্রীদেরই। বিদ্যুতেরও অপচয় করা যাবে না। প্রার্থনা ও ছুটির সময় শ্রেণিকক্ষের পাখা, আলোর সুইচ বন্ধ করে বেরোবে।
বিদ্যালয়ের পানীয় জল সরকারি জলগবেষণাগারে পরীক্ষিত ও নিরাপদ হিসাবে প্রমাণিত। তাই জল খেতে আর বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।
প্রার্থনার সময় সকল ছাত্রছাত্রীদের অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে।
বছরের নানা সময় নানা কাজে অংশগ্রহণ করতে হবে। নাচ, গান, আবৃত্তি, অঙ্কণ, নানা হাতের কাজ যার যেটা পছন্দ তাতে অংশগ্রহণ করতে হবে।
নোংরা আবর্জনা ডাস্টবিনে ফেলতে হবে।
চুল লাল করে, শরীরে রংবেরঙের বাহার করে বিদ্যালয়ে আসা যাবে না।
ছাত্রীরা চুল সাদা ফিতে দিয়ে বেঁধে বিদ্যালয়ে আসবে।
বাড়িতে প্রতিদিন পড়তে বসতে হবে। বিদ্যালয়ের কাজ ও পড়া অবশ্যই করে আনতে হবে। পড়াশোনার বা নিজেকে তৈরি করার কাজে অনিচ্ছা দেখা দিলে তাকে কাউন্সেলিং করা হবে। প্রয়োজনে অভিভাবককে ডাকা হবে। কিন্তু কোনও উচ্ছৃঙ্খলতাকে বরদাস্ত করা হবে না।
বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বিদ্যালয়ের ক্যাপ্টেন, মণিটরদের কথা অবশ্যই মানতে হবে।
সর্বোপরি নিজের প্রতি, পরিবারের প্রতি, সমাজ তথা বিদ্যালয়ের প্রতি অবশ্যই যত্নশীল হতে হবে।