History

বিদ্যালয়টি ইতিহাস বহু প্রাচীন।বিদ্যালয় স্থাপন সম্পর্কে মতবিরোধ থাকলেও শোনা যায় স্বাধীনতার অনেক আগে বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছিল।স্কুল রেকর্ড অনুযায়ী বিদ্যালয়টির স্থাপনকাল 1921 সাল। সেই সময় বিদ্যালয়টি মাটির তৈরি ও টিনের ছাউনি ছিল। বিদ্যালয়টির নাম অনুসারে জানা যায় তৎকালীন সময়ে নারী শিক্ষার প্রসারের জন্য কেবলমাত্র বালিকাদের জন্যই বিদ্যালয়টি তৈরি হয়। বিদ্যালয় তৈরি হলেও শিক্ষা দপ্তরের অনুমতি পায় 1946 সালে স্বাধীনতার আগে। শোনা যায় বিদ্যালয়ে সৃষ্টিলগ্নে ভারত-পাকিস্তান ভাগের সময় সুদূর বাংলাদেশ থেকে একজন শিক্ষিকা সাম্মানিয়া মাতঙ্গিনী আচার্য মহাশয়া শিক্ষকতা করতেন এবং তিনি স্কুলে থাকতেন তার অপার স্নেহে বিদ্যালয় প্রাণ ফিরে পেয়েছিলIবালিকা বিদ্যালয় হলেও পরবর্তী সময়ে এটি কোএডুকেশন স্কুল এ পরিণত হয়।বালিকা বিদ্যালয় ছাড়া স্থানীয় আরেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাত্র 100 মিটারের মধ্যে স্থাপিত।বালিকা বিদ্যালয় হিন্দু ছাত্রীদের জন্য ও প্রাথমিক বিদ্যালয় মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য। বিদ্যালয়ের সুনাম দীর্ঘদিনের। এখানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা অনেক ছিল। 1978 সালের বন্যায় কাঁচা মাটির দেওয়ালে তৈরি বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণ ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয়। শোনা যায় সেই সময় তাজপুর গ্রামের বিখ্যাত সমাজসেবী প্রসাদ চক্রবর্তী মহাশয় এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ও আর্থিক আনুকূল্যে,স্থানীয় নেহেরু স্মৃতি সংঘের সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি পাকা হয়।তবে টিনের ছাউনি,কাঠের পাটাতন দিয়ে দোতলা হয়।পরবর্তী সময়ে শিক্ষা দপ্তরের আর্থিক আনুকূল্যে বিদ্যালয়ের ছাদ ও দোতলা ছাদ হয়।